তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি ।। ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা দেশব্যাপী ধর্মঘটের আঁচ ত্রিপুরার তেলিয়ামুড়া ও ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকায় কার্যত অনুভূতই হল না। সকাল গড়াতেই স্পষ্ট হয়ে যায়—দৈনন্দিন জীবনের ছন্দ থমকে থাকার কোনও লক্ষণ নেই। বিদ্যালয়ে নিয়মমাফিক পাঠদান, রাস্তায় স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল, বাজার-হাটে ক্রেতাদের আনাগোনা—সব মিলিয়ে দিনটি ছিল একেবারেই সাধারণ কর্মদিবসের মতো।তেলিয়ামুড়া বিধানসভা এলাকার একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সকাল থেকেই উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ইউনিফর্ম পরা পড়ুয়াদের কোলাহল, অভিভাবকদের ব্যস্ততা—ধর্মঘটের আবহকে ছাপিয়ে উঠে আসে চেনা কর্মব্যস্ততা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, “বন্ধের ডাক ছিল বটে, কিন্তু তার কোনও বাস্তব প্রভাব চোখে পড়েনি। অম্পি চৌমুনী, যা তেলিয়ামুড়া মহকুমার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানেও চিত্র ছিল একইরকম। অন্যান্য দিনের মতোই দোকানপাট খোলা, রাস্তায় ছোট-বড় যানবাহনের চলাচল অব্যাহত। গাড়ির সঙ্গে যুক্ত এক কর্মীর কথায়, “আজ বন্ধ আছে”এমন কোনও পরিস্থিতি আমরা বুঝতেই পারিনি। সব কিছুই স্বাভাবিক ছিল।”অন্যদিকে, ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ধর্মঘটের সমর্থনে পিকেটিং করতে দেখা যায় বিজেপি যুব মোর্চার কর্মী-সমর্থকদের। সব মিলিয়ে তেলিয়ামুড়া ও কৃষ্ণপুরের চিত্র বলছে, ধর্মঘটের ডাক সত্ত্বেও জনজীবন ছিল প্রায় অক্ষত। রাজনৈতিক আহ্বানের চেয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন সাধারণ মানুষ—এমনটাই প্রতীয়মান দিনের সামগ্রিক পর্যালোচনায়।
